Homeসর্বশেষ সংবাদরৌমারীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনে আধুনিক পদ্ধতিতে চারা রোপন

রৌমারীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনে আধুনিক পদ্ধতিতে চারা রোপন

শাহ মো:আব্দুল মোমেন,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি।।

রৌমারীতে আধুনিক পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপন করা হয়েছে। দেশের সরকার কৃষিকে আধুনিকায়ন করার লক্ষে কৃষক দের উদ্বুদ্ করার জন্য উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের কুটিরচর খানপাড়া গ্রামে এই আয়োজন করা হয়। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে রংপুর বিভাগ ও গ্রামীণ উন্নয়ন (রাডার ডিপি) প্রকল্প ২০২০ এর আওতায় খানপাড়া কৃষকদলের সংগঠনের মাঝে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিন বিনামুল্যে দেওয়া হয়েছে। এই দলে সদস্য সংখ্যা ৩০ জন এবং তারাই এই সুবিধা ভোগ করবেন।

এই পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকের খরচ অনেকটাই কমে যাচ্ছে। বর্তমানে কৃষকরা ধানের চারা রোপনে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার ব্যবহার করছেন। এতে বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে মাত্র ১ হাজার ২০০ টাকা। শ্রমিক দিয়ে যা করতে গেলে অন্তত ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা খরচ হতো । কৃষকদের উদ্বৃত্তকরণের  সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সাংবাদিক ও কৃষকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

জানা যায় এই পদ্ধতির চাষাবাদের ফলে কৃষকেরা বিঘা প্রতি সাশ্রয় হচ্ছে অন্তত ১২ হাজার টাকা। এছাড়া এই পদ্ধতির চাষাবাদে বিঘা প্রতি হাইব্রিড  ৩০ মনের স্থলে ৩৫ মন ধান উৎপাদিত হবে বলে আশা করছেন । উফশী জাতে ২৫ মনের স্থলে ৩০ মন ধান উৎপাদিত হবে।

এই পদ্ধতির চাষাবাদে জমিতে কোন আইল থাকে না। এছাড়া ২০ থেকে ২২ দিন বয়সের ধানের চারা রোপন করতে হয়। তাই ধানের উৎপাদন বেড়ে যায়।

ধান চাষি ইউসুফ আলী বলেন, আমি এই বছর রাইস ট্রান্সপ্লান্টার দিয়ে ১ বিঘা জমির ধান আবাদ করেছি। এতে আমার খরচ ও সময় টাকা দুটোই সাশ্রয় হয়েছে। যা শ্রমিক দিয়ে করতে গেলে অন্তত ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা খরচ হতো। এখন আমার বিঘা প্রতি খরচ হচ্ছে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দেশের সরকার কৃষিকে আধুনিকায়ন করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদে শ্রমিক কম লাগে। এছাড়া ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। ম্যনেজমেন্ট ও সেচ-নিকাশ খুব সহজ। ধানের অধিক ফলন পেয়ে কৃষক লাভবান হন। এই পদ্ধতির চাষাবাদ সম্প্রসারিত হলে দেশের খাদ্য উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে।

সর্বশেষ খবর